দুদকের তদন্তের তালিকায় ২০ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দায়িত্ব পালন করা অন্তত ২০ জন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের (ভিসি) বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে তদন্ত বা অনুসন্ধান চালাচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এই সাবেক উপাচার্যদের বিরুদ্ধে শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগে অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার, অর্থ আত্মসাৎ ও স্বজনপ্রীতির মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র আন্দোলনের মুখে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর সাবেক উপাচার্যদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে মাঠে নামে দুদক।গত বুধবার দুদক বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই সাবেক উপাচার্য— নজমুল আহসান কলিমুল্লাহ ও একেএম নূর-উন-নবীসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে ৪ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলা করে। অভিযোগে বলা হয়, তারা একটি উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ করেছেন।

এর আগে ১৬ জুন যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আব্দুস সাত্তারকে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ ও অবৈধ নিয়োগের দুর্নীতির মামলায় কারাগারে পাঠানো হয়।রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আব্দুস সোবহানও দুর্নীতির অভিযোগের মুখে রয়েছেন। ২০২১ সালের দায়িত্ব শেষের দিনে তিনি নিয়মবহির্ভূতভাবে ১৪১ জনকে নিয়োগ দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক শিরিন আখতার বিরুদ্ধে ঘুষ, অবৈধ নিয়োগ ও সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুদক সম্প্রতি অনুসন্ধান শুরু করেছে।বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটির প্রথম উপাচার্য অধ্যাপক মুনাজ আহমেদ নূরের বিরুদ্ধে ৫.৯ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি ডেটা ল্যাব স্থাপনে দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখছে দুদক।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *