বাংলা বর্ষপঞ্জি বাংলাদেশে কতটা ব্যবহার হচ্ছে?
বাংলাদেশে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের প্রথম দিনকে বরণ করে নেওয়া হয়েছে। রাজধানী ঢাকা তো বটেই, দেশের নানা প্রান্তে বিভিন্ন বয়সী মানুষকে দিনটি নানাভাবে উদযাপন করতে দেখা গেছে। বর্ষবরণ উপলক্ষে বৈশাখী মেলা যেমন বসেছে তেমনি বিভিন্ন স্থানে আয়োজন করা হয়েছে বলিখেলা, লাঠিখেলা ও হা-ডু-ডুসহ ঐতিহ্যবাহী নানা ধরনের খেলা।
সরকারিভাবে ছুটির দিন হলেও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও এ দিনটি পালিত হয়েছে।
বরিশালের পটুয়াখালী জেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, শিক্ষার্থীরা বাড়ি থেকে পান্তা ভাত, মাছ, ভর্তা নিয়ে এসেছে। এরপর সবাই মিলে ভাত খেয়েছে। বাড়তি পদ হিসেবে আরও ছিল বাতাসা, মুড়ি-মুড়কিসহ নানাকিছু।কিন্তু যে বাংলা বর্ষপঞ্জি ঘিরে এই উৎসবমুখর পরিবেশ, সেটির ব্যবহার এখন নেই বললেই চলে। সরকারি কাগজপত্র, গণমাধ্যম থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের রোজকার জীবনে, সবখানেই এখন ইংরেজি ক্যালেন্ডারের জয়জয়কার।





