পাবলিক পরীক্ষা পদ্ধতিতে কী পরিবর্তন করতে চাইছে সরকার?
পাবলিক পরীক্ষায় যে কোনো বিষয় পুনঃনিরীক্ষণ করার আবেদন বা অনুত্তীর্ণ হলে সর্বোচ্চ ৪ বার পরীক্ষা দেওয়ার যে বর্তমান নিয়ম রয়েছে, সেটি পরিবর্তনের কথা ভাবছে সরকার। একইসাথে প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধ, পরীক্ষার হলে প্রযুক্তিগত অপরাধের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বর্তমান আইনেই পরিবর্তন আনার কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
এরই অংশ হিসেবে, আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা পরিচালনা নীতিমালা এবং দ্য পাবলিক এক্সামিনেশনস (অফেন্সেস) অ্যাক্ট, ১৯৮০’তে বেশ কিছু পরিবর্তন আনার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
গতকাল শনিবার (১১ এপ্রিল) রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ও কারিগরী শিক্ষা বোর্ডে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার কেন্দ্রের সচিবদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় শিক্ষামন্ত্রী বিদ্যমান আইনে এমন কিছু পরিবর্তন করার কথা জানান। এছাড়া, সারাদেশের সব শিক্ষাবোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরিবর্তন আনার কথাও চিন্তা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁস আউটের সাথে কে রিলেটেড আমরা কী জানি না? তাদেরকেও আইনের আওতায় আমরা আনবো। আইন এমনভাবে স্টিপুলেট করবো, ছাত্রছাত্রীদের জন্য না, আমাদের জন্য।
বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ড, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, পুনঃনিরীক্ষণ পদ্ধতির বদলে পুনর্মূল্যায়ন পদ্ধতি চালু করা, ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে হওয়া জালিয়াতির জন্য শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্যই বিদ্যমান আইনে বেশ কিছু সংস্কার, পরিবর্তন ও আইন যুগোপোযোগী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।




