ফের ভেরিফিকেশন হবে প্রাথমিকের ১৪ হাজার শিক্ষকের, চিঠি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৪ হাজারের বেশি সহকারী শিক্ষকদের ভেরিফিকেশন চলছে। এর মধ্যেই জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) মাধ্যমে ফের ভেরিফিকেশনের উদ্যোগ নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। ইতোমধ্যে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
বুধবার (৩ জুন) দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে এ তথ্য জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (বিদ্যালয়-২) রাজীব কুমার সরকার। তিনি বলেন, ‘এনএসআইএর মাধ্যমে ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করতে গত মে মাসে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।’
জানা গেছে, গত মার্চ মাসে প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা উত্তীর্ণদের এসবির মাধ্যমে ভেরিফিকেশন কার্যক্রম শুরু হয়। ইতোমধ্যে দুই তৃতীয়াংশের বেশি শিক্ষকের ভেরিফিকেশন সম্পন্ন হয়েছে।
এদিকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১৪ হাজার সহকারী শিক্ষকের চূড়ান্ত নিয়োগে এনএসআই ভেরিফিকেশন কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি দুই মাসের প্রশিক্ষণ ও চাকরির সব শর্ত পূরণ সাপেক্ষে স্থায়ী নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। সম্প্রতি এক চিঠিতে থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫ এর নিয়োগযোগ্য শূন্য পদে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীকে চূড়ান্তভাবে নিয়োগের পূর্বে নিম্নরূপ কার্যক্রম গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়েছে।
প্রথমত সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০২৫-এ প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীর পুলিশী তদন্তের মাধ্যমে পূর্ব কার্যকলাপ যাচাই এবং ডকুমেন্টস ও কাগজপত্রের সত্যতা যাচাই করা করা হবে। দ্বিতীয়ত, সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০২০-এ প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীগদের বিষয়ে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) প্রতিবেদন দেবে।
পদায়নের পূর্বে চড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীকে প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটয়ে (পিটিআই) দুই মাস মেয়াদী প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। পুলিশি তদন্ত প্রতিবেদন, এনএসআই’র প্রতবেদন ও দুই মাস মেয়াদী প্রশিক্ষণ সন্তোষজনক থাকা এবং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০২৫-এর সব শর্ত পূরণ সাপেক্ষে ২ বছরে চাকরিতে স্থায়ীকরণ করা হবে।




